আ’লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও দুইজন সংসদ সদস্য’র গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে অবশেষে জমে উঠেছে গৌরনদী উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এখানে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করলেও মূল লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে দুই খানের মধ্যে। এরমধ্যে একজন হচ্ছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হোসেন খান ও অপরজন হচ্ছেন আ’লীগ সমর্থিত শাহ আলম খান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখানকার বর্তমান চেয়ারম্যান শাহ আলম খানকে পুনরায় আ’লীগের পক্ষ থেকে সমর্থন দেয়ায় এখনো দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। সেমতে স্থানীয় নেতাকর্মী বিহীন দলের জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও দুইজন সংসদ সদস্যকে নিয়ে আনারস মার্কার সমর্থনে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক অব্যাহত রেখেছেন আ’লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহ আলম খান।অপরদিকে আ’লীগের নিষ্ক্রিয় নেতাকর্মী ও বিএনপির বৃহৎ একটি অংশের সরাসরি পূর্ণ সমর্থন ও ব্যক্তি ইমেজকে কাজে লাগিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হোসেন খান তার দোয়াত-কলম মার্কার পক্ষে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
দোয়াত-কলম মার্কার একাধিক সমর্থকেরা জানিয়েছেন, নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে লোকমান খানের সমর্থকদের পাল্লাও বেশ ভারি হয়ে উঠেছে। যে কারণে গৌরনদীতে এখন লোকমান ঠেকাও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।
সূত্রে আরও জানা গেছে, এখানে বিএনপির সমর্থন পাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল হোসেন মিঞার সাথে আ’লীগের প্রার্থী শাহ আলম খানের গভীর সম্পর্ক থাকায় তাকে (আবুল মিঞাকে) অনেকটাই গাঁ ছাড়া ভাবে নির্বাচনের মাঠে দেখা যাচ্ছে। বিএনপির অপর বিদ্রোহী প্রার্থী নুরে আলম হাওলাদার অসুস্থ হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি থাকায় তার পক্ষে সমর্থকরা মাঠে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
এছাড়া এখানে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে নামেমাত্র একজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। ফলে মাঠ চষে বেড়ানো লোকমান হোসেন খান এখন প্রতিদ্বন্ধী শাহ আলম খানের কাছে গাত্রদাহ হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
লোকমান হোসেন খান জানান, সুষ্ঠু পরিবেশে সাধারণ ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে তিনি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী রয়েছেন। তবে ইতোমধ্যে তার সমর্থকদের প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীর লোকজনে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস